ফল ঘোষণার আগেই ‘হার স্বীকার’! সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসের বিস্ফোরক দাবি।


সংবাদমাধ্যমের সামনে বায়রন বিশ্বাস আরও বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, শুধু তিনি নন—জঙ্গিপুর, সামশেরগঞ্জ ও ফরাক্কা কেন্দ্রেও তৃণমূল প্রার্থীরা পরাজিত হবেন।

মুর্শিদাবাদ: রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার এখনও বাকি, অথচ তার আগেই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন সাগরদিঘি কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। 


জঙ্গিপুরের গণনা কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি দাবি করেন—তিনি নির্বাচনে পরাজিত হচ্ছেন।


ঘটনাটি ঘটে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে অবস্থিত ভোট গণনা কেন্দ্রকে ঘিরে। শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎ খবর আসে, স্ট্রং রুমের সিসিটিভি ক্যামেরা ঠিকমতো কাজ করছে না। এই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বায়রন বিশ্বাস। সেখানে গিয়ে তিনি দায়িত্বে থাকা প্রশাসনিক ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন।


বায়রন বিশ্বাসের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সিসিটিভি ফুটেজ বন্ধ ছিল, যা অত্যন্ত সন্দেহজনক। তাঁর দাবি, এই সময়ের মধ্যেই স্ট্রং রুমে অনিয়ম ঘটতে পারে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় এটি শুধুমাত্র ‘টেকনিক্যাল ফল্ট’।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন বায়রন বিশ্বাস স্ট্রং রুমের ভিতরে গিয়ে ইভিএম মেশিন দেখার দাবি জানান। কিন্তু নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রীয় বাহিনী সেই অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে তীব্র মন্তব্য করেন এবং গেট খোলার জন্য অনুরোধ থেকে হুমকি—সবই দেন। তবুও অনুমতি না মেলায় শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়ে ফিরে আসেন।

সংবাদমাধ্যমের সামনে বায়রন বিশ্বাস আরও বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, শুধু তিনি নন—জঙ্গিপুর, সামশেরগঞ্জ ও ফরাক্কা কেন্দ্রেও তৃণমূল প্রার্থীরা পরাজিত হবেন। যদিও অন্য কেন্দ্রগুলির ফলাফল নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।

এছাড়াও তিনি অভিযোগ তোলেন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে এবং বলেন, “এটি টেকনিক্যাল ফল্ট নয়, এটি দিল্লির নির্দেশে হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

সবশেষে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে যেই দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তা যেন ন্যায্যভাবে আসে—এই কামনাই করেন তিনি।

Post a Comment

أحدث أقدم
Gram Barta Plus
Gram Barta Plus

🎧 LIVE FM RADIO




🔊 Volume