সরকারি সূত্র অনুযায়ী, একটি বৃহৎ সরকারি হাসপাতালসহ একাধিক আবাসিক এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে। হামলার ফলে হাসপাতালটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেখানে থাকা রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও আশপাশের বেশ কিছু ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আফগানিস্তানের মুখপাত্র Zabihullah Mujahid এই ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, হামলায় সাধারণ মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের লক্ষ্য ছিল সামরিক ঘাঁটি, কোনও বেসামরিক স্থাপনা নয়।
এদিকে, আফগানিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি Hamid Karzai এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, বেসামরিক এলাকায় হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে এবং এর ফলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে।
শুধু কাবুলই নয়, Nangarhar Province এলাকাতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে, যদিও সেখানে হতাহতের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য মেলেনি। কাবুলে উদ্ধারকাজ চলছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
তবে এই ঘটনার হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা এখনও সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।