Type Here to Get Search Results !

Subscribe Us

ট্রাম্পকে কড়া বার্তা খামেনেইয়ের: “নিজের দেশ সামলান, ইরানের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না”


🌍 ট্রাম্পকে কড়া বার্তা খামেনেইয়ের: “নিজের দেশ সামলান, ইরানের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না”

ইরান–আমেরিকা উত্তেজনা ফের তুঙ্গে

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপের কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে সরাসরি মার্কিন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তীব্র আক্রমণ করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘X’ (সাবেক টুইটার)-এ প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন—
“নিজের দেশের সমস্যাগুলো আগে সামলান, ইরানের বিষয়ে নাক গলাবেন না।”


🇮🇷 ইরানের বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ তেহরান

বর্তমানে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। এই পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে দাবি করেন, আমেরিকা ইরানি বিক্ষোভকারীদের পাশে রয়েছে এবং তারা নাকি “স্বাধীনতার আলো” দেখতে পাচ্ছে।

ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে সরাসরি উসকানি হিসেবে দেখছে ইরান। এর পাল্টা জবাব দিতেই খামেনেই এতটা কড়া ভাষায় মুখ খুলেছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত।


🗣️ “যোগ্য হলে নিজের দেশের অশান্তি থামান” — খামেনেই

খামেনেই তাঁর বার্তায় কটাক্ষ করে বলেন,

> “ট্রাম্প যদি সত্যিই এতটা যোগ্য হতেন, তাহলে আমেরিকায় চলা অস্থিরতা, বিক্ষোভ এবং সামাজিক বিভাজন তিনি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারতেন।”


তিনি আরও দাবি করেন, ইরানে যারা বিক্ষোভ করছে তারা প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিনিধি নয়, বরং আমেরিকার স্বার্থে পরিচালিত একটি গোষ্ঠী।

খামেনেই অভিযোগ করেন,

> “একজন অযোগ্য শাসকের আশায় ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। কিন্তু ইরান কোনও দিন বাইরের শক্তির কাছে মাথা নত করবে না।”


🇺🇸 আমেরিকার অভ্যন্তরীণ সংকট তুলে ধরলেন খামেনেই

ট্রাম্পের বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে খামেনেই আমেরিকার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির দিকেও আঙুল তোলেন। সম্প্রতি এক কেন্দ্রীয় অভিবাসন এজেন্টের হাতে এক মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মিনিয়াপোলিস, লস অ্যাঞ্জেলেস-সহ একাধিক শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে খামেনেই ইঙ্গিত দেন,

> “যাঁর নিজের দেশেই অভিবাসন নীতি ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছেন, তাঁর অন্য দেশের গণতন্ত্র নিয়ে উপদেশ দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই।”


⚖️ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে সংঘাতের ইঙ্গিত

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। খামেনেই ও ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য বাগযুদ্ধ নতুন করে সেই সংঘাতকে সামনে এনে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য শুধু কূটনৈতিক সম্পর্ককেই নয়, মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা বিশ্বের রাজনৈতিক ভারসাম্যকেও প্রভাবিত করতে পারে।

একদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ, অন্যদিকে আমেরিকার সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা—এই দুই প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে শুরু হওয়া খামেনেই–ট্রাম্প বাকযুদ্ধ এখন বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।

এই সংঘাত আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad